অসমাপ্ত বক্তব্য দিতে ফের সময় পেলেন খালেদা

%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a6%e0%a6%be-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%beস্টাফ রিপোর্টার : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য দেয়ার জন্য ফের সময় পেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের আদালতে অসমাপ্ত বক্তব্য দিতে আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আদালতে উপস্থিত হন তিনি।

এ সময় তার আইনজীবী আত্মপক্ষ সমর্থনে অসমাপ্ত বক্তব্য না নিতে সময়ের আবেদন দাখিল করেন। সময়ের আবেদনে উল্লেখ করা হয়, মামলাটির সাক্ষী বাতিলের আবেদনটি আদালত নামঞ্জুর করেছেন। তাই এর বিরুদ্ধে আমার উচ্চ আদালতে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেছি। তাই আমাদের সময় দেয়া হোক।

আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে ৫ জানুয়ারি অসমাপ্ত বক্তব্য দেয়ার জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে, ১৫ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন দাখিল করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে বলেন, ২২ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়া আদালতে হাজির না হলে তার জামিন বাতিল করা হবে।

৮ ডিসেম্বর ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দার পুনঃবিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করে খালেদার অসমাপ্ত বক্তব্য দেয়ার জন্য ১৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

১ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থন করে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাফাই সাক্ষী দেবেন বলে আদালতকে বলেন। এর পর তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনে আংশিক বক্তব্য প্রদান করে সময়ের আবেদন করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলা তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুদেব রায়।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (পলাতক), হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *