খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়িতে পে-অর্ডার জালিয়াতির অভিযোগে টেন্ডার কার্যক্রম স্থগিত

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর কর্তৃক টেন্ডারে ভূয়া ব্যাংক ড্রাফট/পে-অর্ডার দিয়ে সিডিউল দাখিল করার অভিযোগ হওয়ার পর টেন্ডার প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হযেছে বলে জানা গেছে। ১৮ জানুয়ারি মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিনিতা রানী এক নোটিশ বার্তায় এ নির্দেশ দেন। গত ১৭ জানুয়ারি ভূয়া ব্যাংক ড্রাফ্ট দিয়ে লক্ষ্মীছড়ি ও মানিকছড়ি উপজেলায় টেন্ডারের সিডিউল দাখিল সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার এক দিনের মাথায় উপজেলা প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেয়।

জানা যায়,, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর’র মহাপরিচালক কর্তৃক প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস(পিআইও) উপজেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে দরপত্র আহবান করলে গত ২৯ ডিসেম্বর টেন্ডার সিডিউল দাখিল করা হয়। ঐদিন বিকালে টেন্ডার ওপেনিং কমিটির উপস্থিতিতে দরপত্র বা´ খোলা হয়। দরপত্র বাছাই কমিটির হাতে এ ভূয়া পে-অর্ডার ধরা পরে। এই নিয়ে কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর নিকট পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। গত ১২ জানুয়ারী দাখিলকৃত টেন্ডারের লটারী হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করে আজ ১৯ জানুয়ারি লটারি হওয়ার কথা ছিল।

উক্ত টেন্ডারে মানিকছড়ি উপজেলায় ৪টি প্রকল্পগুলো হলো- গিলাতলী পাড়া হইতে শান্তিরহাট বাজার যাওয়ার রাস্তায় খালের উপর সেতু নির্মাণ, দশবিল হতে আছারতলি যাওয়ার রাস্তায় ছড়ার উপর সেতু নির্মাণ, চেংগুছড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে বড়বিল যাওয়ার রাস্তায় সেতু নির্মাণ ও তিনটহরী বাজার থেকে চেংগুছড়া যাওয়ার রাস্তায় মোনাফের দোকানের সামনে সেতু নির্মাণ।
মানিকছড়ি প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অফিস সূত্রে জানা যায়, মানিকছড়ি উপজেলায় ২৭টি সিডিউল এবং লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় ১৬টি সিডিউলে ভূায় ব্যাংক ড্রাফ্ট সনাক্ত করা হয়েছে।

তবে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় আজ টেন্ডারের লটারি হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে জানতে লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পিআইও আব্দুল জব্বারে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায় নি। ভূয়া পে-অর্ডারগুলো কোন ঠিকাদার কার লাইসেন্স’র মাধ্যমে সিডিউল ড্রপিং করা হয়েছে এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হয় নি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *