আটক হয়নি ধর্ষক ও সহযোগি:ধর্ষিতার পরিবারকে হুমকি

guimar Pic 02বিশেষ প্রতিবেদক: খাগড়াছড়ির গুইমারায় বিয়ের প্রলবণ দিয়ে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষনের তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর এখনো আটক হয়নি ধর্ষণকারী মিলন (৫০) ও ঘটনার মুল সহযোগি রুনা আক্তার।

ঘটনার সত্যতা ফাঁস করে দেওয়ায় ধর্ষিতার স্বজনদের লাগাতার হুমকি দিচ্ছে অভিযোগ এনে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে জানান। ধর্ষিতা হাতিমুড়া এলাকার মৃত বাচ্ছু মিয়ার কন্যা।

তদন্ত করলে চাঞ্চলকর এ ঘটনার আসল তথ্য পাওয়া বেরিয়ে আসবে বলে দাবী করেছে স্থানীয় সচেতন মহল। গত রবিবার ধর্ষিতাকে হাতিমুড়া তার বাড়ি থেকে এনে রাতে গুইমারা বিজিবি সেক্টর সংলগ্ন ইদ্রিস মিয়ার স্ত্রী ভাড়া বাড়িতে এনে এ ঘটনা ঘটায়। ধর্ষিত মেয়ের বাড়ী গুইমারা উপজেলার হাতিমুড়া এলাকায়।

ধর্ষণকারী মাটিরাঙ্গা পৌরসভার হাতিয়াপাড়ার বাসিন্দা মিলন (৫০) কে সোমবার সকালে হাতে নাতে আটক করে জালিয়াপাড়াস্থ স্থানীয় ডা: নুরন্নবীসহ কয়েক জন মিলে ধর্ষণকারী মিলনের কাজ থেকে ৩০ হাজার টাকা নেয়। পরে একটি মোটা অংকের অর্থ লেনদেনের প্রতিশ্রুতিতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ সময় আপোষ-মিমাংসার দোহাই দিয়ে মেয়ের পরিবারের অজান্তে মাটিরাঙ্গা পৌর সভা সংলগ্ন এলাকায় ধর্ষিতার নামে জায়গা দেওয়ারও কথা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা যায়।

ঘটনা ধামাচাপা দিতে বিচারকের ভূমিকায় দফারফা করে ডা: নুরন্নবী, মাটিরাঙ্গা ৯নং পৌর ওয়ার্ড কমিশনার মো: সোহেল,তাহেরা,সাপ্লাই ইকবাল, আলম গাজী। এ ঘটনায় হাতিমুড়া পুলিশ ক্যাম্প আইসি আবুল কালাম ও কনস্টেবল নাসির মেয়ের স্বজনদের মুখ না খুলতে হুমকি-ধমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। এবং ধর্ষণের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকের অকথ্য ভাষা গালিগালাজ করে।

হুমকির বিষয়টি ভিডিও রেকর্ড ধারণ করা আছে। ঘটনার জন্য গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: জুবাইয়েরুল হকের ভূমিকাও রহস্য জনক বলে দাবী করে তার বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেন ধর্ষিতা কিশোরী।

গুইমারায় কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও মেয়েরা জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচার ও যথাযথ প্রদক্ষেপ গ্রহণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি জোর দাবী জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *