ছাত্রীকে বিএম মশিউর কর্তৃক ইভটিজিং এর অভিযোগটি মিথ্যা ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্র বলে দাবি করছে

17760168_1947996348766889_7766660903904033483_n17200882_1919091498321443_6814296468453195881_n

বিশেষ প্রতিবেদকঃ খাগড়াছড়ি জেলাধীন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিএম মশিউর রহমান কর্তৃক এক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্রী (চাকমা মেয়ে)কে ইভটিজিং করার অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনাটি পাহাড়ী বাঙ্গালী ষড়যন্ত্র অংশ হিসেবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে কিনা সুস্থতদন্ত করলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে। ফেসবুকের দেওয়ার আইডি নাম এ.বি.এম ফরহাদ এর বক্তব্যঃ মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি.এম.মশিউর রহমান বিরুদ্ধে মিথ্যা ইভটিজিংয়ের অভিযোগের প্রতিবাদ জানাই। কারন প্রতি মাসে স্কুল, কলেজ, মাদ্রসা, পরির্দশন কালে, এবং সভা সোমনার র‌্যালি করে ইভটিজং বিরুধীতা করে এবং ইভটিজিং হতে যুব সমাজকে দুরে রাখার জন্য সচেতন মূলক নানা র্কমসূচী গ্রহন করেছেন।

তাছাড়া তিনি মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে যোগদানের পর কয়েকজন যুবককে ইভটিজিং করার কারনে জেলে দিয়েছে।

যে খবরটি প্রকাশতি হয়েছে। সেটি পড়লে বুঝা যায় এইটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক কাহিনি যাহা ব্যক্তিস্বার্থের কারনে এবং জনপ্রয়িতায় র্ঈশান্বতি হয়ে সাজানো হয়েছে বলে মনে করছি।

প্রতিবেদনে  যে চরত্রি উল্লেখ করা হয়েছে এমন কাজ করতে পারবে অশিক্ষিত নির্লজ্জ লোকে।

আমি বলতে চাই একজন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও (ম্যাজেস্টেট) তাহার পক্ষে এমন কাজ করা কিছুতেই সম্ভব নয়। এইটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা বানোয়াট কল্পকাহিনী ছাড়া কিছুই নয়, যা ব্যাক্তি স্বার্থের কারনে প্রকাশিত হয়েছে।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে যে সকল উদ্যোগ নিয়েছে এবং যে কাজ গুলো করেছে তারি পুরুস্কার হিসাবে তিনি দুই বার জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ অফিসার হয়েছেন ।

                                                     ছাত্রীকে বিএম মশিউর কর্তৃক ইভটিজিং এর অভিযোগ রহস্যজনক
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাগড়াছড়ি জেলাধীন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিএম মশিউর রহমান কর্তৃক এক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পড়–য়া ছাত্রী (চাকমা মেয়ে)কে ইভটিজিং করার অভিযোগ উঠেছে। এই নিয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ ঘটনাটি পাহাড়ী বাঙ্গালী ষড়যন্ত্র অংশ হিসেবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে কিনা সুস্থতদন্ত করলে আসল রহস্য বের হয়ে আসবে।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, গত-১৮ই এপ্রিল ২০১৭ইং খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকা গামী হানিফ পরিবহনে যাত্রী হিসেবে উঠেন মাটিরাঙ্গার ইউএনও বিএম মশিউর রহমান। একই পরিবহনে খাগড়াছড়ি থেকে উঠেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে কর্মরত অপুর্ব দেওয়ান দম্পতি ও তাদের দুই মেয়ে ।

মেয়েদের মধ্যে একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ (সম্মান ২য় বর্ষ) অধ্যয়নরত অন্যজন ঢাকা হলিক্রস থেকে এবার এসএসসি দিয়েছেন।

অপূর্ব দেওয়ান (মেয়ের পিতা) জানান, মাটিরাঙ্গা থেকে বাসটি ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে কিছু দুর যেতে না যেতেই সামনের আসনে বসা ঐ দুই বোনের মধ্যে একজনের পায়ে পিছনের আসন থেকে পা দিয়ে সুরসুরী দেন ইউএনও বিএম মশিউর রহমান। মেয়েটি ভয়ে আতংকিত হয়ে উঠেন। এবং নিজেকে কোন মতে সরিয়ে নিয়ে যাত্রা বিরতি জন্য অপেক্ষা করেন।

কুমিল্লায় বাসটি যাত্রা বিরতি দিলে দ্রুত নেমে কিছু সময়ের জন্য হাওয়া হয়ে যান ইউএনও মশিউর রহমান। এ সময় মেয়েটি তার পিতামাতাকে ঘটনাটি জানালে উপস্থিত বাসের যাত্রীসহ তারা, ইউএনও কে এমন অশালীন কর্মকান্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন।

এ বিষয়ে মাটিরাঙ্গার ইউএনও বিএম মশিউর রহমান, নিজের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, ঘটনাটি সাজানো ও ষড়যন্ত্রমুলক। আমি বাসে যেখানে বসেছি সেখান থেকে সামনের আসন নাগাল পাওয়া যায় না। হাঁ ঘুমের ঘোরে হয়তো পা লেগে যেতে পারে, সে জন্যে আমি দু:খিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *