রামগড় করেরহাট সড়কে ঢলের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়, যানবাহনের চলাচল বিঘ্নিত

নুরুল আলম: দিনব্যাপী অবিরাম ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রামগড় করেরহাট সড়কের একাধিক স্থান ঢুবে গেছে। ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর হতে জালিয়াপাড়া, মহালছড়ি, সিন্দুকছড়ি কোনো নির্মিত ব্রিজের মাটি সরে যাওয়ার সড়কের দিয়ে চলাচল বিগ্নিত হয়েছে। এমনকি জালিয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ সহ নিচু এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জনসাধারণের মালামালের ক্ষতি সাধিত হয়েছে।তবে রাত্রে ভারি বৃষ্টি না হওয়ায় পানি দ্রুত গতিতে পানি কমছে। খাগড়াছড়ি ও ফেনী সড়কটিতে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় খাগড়াছড়ি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকার নৈশকোচগুলো আটকা পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানাযায়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে অবিরাম ভারী বর্ষণ ও পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে রামগড় করেরহাট  সড়কের বালুটিলা বাজার এলাকা হতে কয়লাবাজার ব্রীজ পর্যন্ত  প্রায় আধা কিলোমিটার রাস্তা ঢুবে গেছে। এছাড়া সড়কের কালাপানি এলাকায়ও রাস্তার উপর দিয়ে ঢলের পানি প্রবাহিত  হচ্ছে। ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এতে   ঢাকা, কুমিল্লা, ফেনী থেকে খাগড়াছড়িগামী এবং খাগড়াছড়ি ও রামগড় থেকে ফেনী ও ঢাকার উদ্দেশ্যে  ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাসসহ সকল প্রকার যানবাহন  আটকা পড়ে।received_474436976227128-256x300

এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকাগামী নৈশ কোচগুলো হেঁয়াকো বাজার এসে আটকা পড়ে আছে। শান্তি পরিবহনের রামগড় অফিসের লাইনম্যান অর্জুন দেবনাথ জানান, পানি সরে যাবে এমন ধারণা করে খাগড়াছড়ি থেকে নৈশ কোচ ছেড়ে আসে। বৃহস্পতিবার রাত ১১ টায় তিনি জানান, হানিফ এন্টার প্রাইজ, শান্তি পরিবহন, এস আলম, শ্যামলীসহ ঢাকাগামী সবগুলো নৈশ কোচ হেঁয়াকো বাজার এলাকায় আটকা পড়ে আছে। রাস্তা থেকে পানি নেমে গেলে কোচগুলো গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টায়ও সড়কের ঐ অংশ পানিতে ডুবে ছিল।বর্তমানে সড়কের পানি কমতে শুরু করছে এবং যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *