Home » আলোচিত বাংলাদেশ » সহকারী শিক্ষক নিয়োগ : মৌখিক পরীক্ষা ১৮-২১ সেপ্টেম্বর

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ : মৌখিক পরীক্ষা ১৮-২১ সেপ্টেম্বর

নুরুল আলম:: খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন সংগঠনের অনিয়মের অভিযোগে আন্দোলনেও বাতিল হয়নি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। বরং নির্ধারণ করা হয়েছে মৌখিক পরীক্ষার সময়। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের হস্তান্তরিত প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের আওতান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় ৩৫৮ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া সামনের দিকে এগিয়েই চলেছে।

লিখিত পরীক্ষা উর্ত্তীণ প্রার্থীদের আগামী ১৮ থেকে ২১ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ৭১০ জনকে সকাল ১০ টায় পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষার অনুষ্ঠিত হবে জানা গেছে। গত ২৫ আগষ্ট জেলার প্রায় ৩৯২ টি শূন্যপদের বিপরীতে ৩৫৮ টি শূন্যপদের জন্যে সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এ লিখিত পরীক্ষা নিয়ে নানা বির্তক আর অনিয়ম-দূর্নীতির অভিযোগ উঠেলেও তা ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করে আন্দোলণকারীদের কর্মসূচী উপেক্ষা করে আগামী ১৮-২১ সেপ্টেম্বর মৌখিক পরীক্ষার সময় ঘোষনা করা হয়। জেলা সদরের ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজার ২৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহনের কথা থাকলেও ওইদিন শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা থাকায় অংশ নেন মাত্র এক হাজার ৯৩৬ জন।

যা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অনুপস্থিতির রেকর্ড (এক হাজার ৩৫৭ জন প্রার্থীই) হয়ে দাড়িয়েছে। এরপর ২৮ আগষ্ট লিখিত পরীক্ষা ফলাফল প্রকাশিত হলে ক্ষুব্দ হন অনেক মেধাবী পরীক্ষার্থী। তারা জানান, নামে মাত্র পরীক্ষায় মেধার যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। লিখিত পরীক্ষা ফলাফল প্রকাশিত হবার পর পরিষদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম অভিযোগ ওঠে ।

গতকাল বুধবার সদর উপজেলা পরিষদের মিলায়তনের জেলা সুষম উন্নয়ন দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সংবাদ সংম্মেলন ও সম্মিলিত ছাত্র সমাজের শিক্ষার্থীরা নিয়োগ বাতিলের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে। এতে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিয়োগের নামে কোটি কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে অনিয়ম অব্যবস্থাপনা রোধকল্পে ২৫ আগস্টের নিয়োগ পরিক্ষা বাতিল না হলে আগামী ১৪ই সেপ্টেস্বর এর মধ্যে না করলে ১৭ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ ঘেরাও করার ঘোষনা দেয়।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী বলেন ,সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নিয়মনীতি মেনে পরীক্ষার নেয়া হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিসহ সব ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি । এ সময় তিনি আরো বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি। যদি কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন পার্বত্য জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অনিয়ম নিয়ে মন্তব্য করলে তা তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার।

About admin

Leave a Reply