আলোচিত বাংলাদেশ চট্টগ্রাম জাতীয় পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্রেকিং নিউজ রাজনীতি সাফল্যের বাংলাদেশ

খাগড়াছড়িতে পার্বত্য চুক্তির ২দশকপুর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী

নুরুল আলম:: পার্বত্য চুক্তি (শান্তি চুক্তি)র ২ দশক পুর্তি উপলক্ষে পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে খাগড়াছড়িতে। উৎসবের আমেজে র‌্যালীতে নানা শ্রেণী পেশার মানুষ বর্ণিল পেশাকে অংশ গ্রহণ করে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে পার্বত্য চুক্তি ২ দশক পুর্তির কেক কেটে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা ও বেলুন উঠিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষনা করেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা। এতে সভাপতিত্বে করেন, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী।

এতে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কামান্ডার নবাগত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ,পুলিশ সুপার আলী আহম্মদ খাঁন প্রমূখ। এতে উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক রাশেদুল ইসলাম,সদর জোন কমান্ডার জিএম সোহাগ,খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো: জাহেদুল আলম,মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রইস উদ্দিন প্রমূখ।

কেক কেটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা বলেন, পার্বত্য চুক্তির ফলে পাহাড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে। জননেত্রী শেখ হাসিনার এ পার্বত্য চুক্তির ফলে দীর্ঘ দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের অবসান ঘটেছে। পাহাড়ের মানুষ আজ শান্তিতে বসবাস করছে।

এছাড়াও এ চুক্তির ফলে পাহাড়ে একটি বড় প্রাচীর আজ ভেঙ্গে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানান। এ সময় তিনি পাহাড়ের শান্তি অব্যাহত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এছাড়াও পার্বত্য চুক্তির ফলে যে শান্তি অব্যাহত আছে তা বজায় থাকবে বলে প্রত্যাশা করে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন খাগড়াছড়ি রিজিয়নের নবাগত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ।

বক্তব্য শেষে বেলুন উঠিয়ে নানা সম্প্রদায়ের বর্ণিল পোশাকে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে খাগড়াছড়ি টাউন হলে গিয়ে শেষ হয়। পরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, খাগড়াছড়ি উপজাতীয় শরণার্থী বিষয়ক টাক্সফোর্স চেয়ারম্যান যতীন্দ্র লাল ত্রিপুরা, নবাগত রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ,খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা,পুলিশ সুপার আলী আহম্মদ খান, জেলা প্রশাসক রাশেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন। প্রসঙ্গত, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *