আলোচিত বাংলাদেশ ক্রাইম নিউজ চট্টগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রশাসন ব্রেকিং নিউজ

রাসেল হত্যাকান্ডে একাধিক সূত্র নিয়ে মাঠে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক,খাগড়াছড়ি:: খাগড়াছড়িতে আলোচিত মো: রাসেল হত্যাকান্ডে একাধিক সূত্রকে প্রাধান্য দিয়ে তদন্তে মাঠে নেমেছে পুলিশ। খুনের বিভিন্ন বিষয় বিষয় বিবেচনা করে প্রকৃত খুনীদের কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। ছুরিকাঘাতে খুন হওয়া ছাত্রলীগ কর্মী রাসেলের মা খোদেজা বেগম খাগড়াছড়ি সদর থানায় বাদি হয়ে হত্যা মামলা দায়ের পর এজাহারভুক্ত আসামীসহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আটককৃতদের কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, একাধিক দিক থেকে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তন্মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ, আধিপত্য বিস্তার, কিশোর অপরাধ ও মাদক সেবন কিংবা ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার মতো একাধিক বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে। সম্ভাব্য অনেক বিষয়ে তথ্য সংগ্রহে পুলিশের একাধিক দল মাঠে সক্রিয় রয়েছে। নিহত রাসেলের আত্মীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব, রাজনৈতিক সহকর্মী ও প্রতিপক্ষের সাথে তার কোন বিরোধ ছিল কিনা সেসব বিষয়ও প্রাধান্য পাচ্ছে তদন্তে।

তবে নিহত রাসেলের রাজনৈতিক সংগঠন ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে এই হত্যাকান্ডকে রাজনৈতিক হত্যাকান্ড বলে অভিযোগ তোলা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে রাসেল হত্যাকান্ডকে জড়িতদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি টিকো চাকমা সমর্থকরা। পরের দিন শুক্রবার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও হত্যাকান্ডে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবিতে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন কর্মসূচির আয়োজন করেছে সাধারণ সম্পাদক জহির উদ্দিন ফিরোজের সমর্থকরা।

খাগড়াছড়ি সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাহাদাত হোসেন টিটো জানান, রাসেল হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ একাধিক সূত্রকে প্রাধান্য দিয়ে তদন্ত করছে। তদন্তের গোপনীয় রক্ষার্থে মামলার অগ্রগতির বিষয়ে এখন কথা বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি শহরের মিলনপুর ব্রিজ এলাকায় রাসেলকে উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করে দুবৃত্তরা। পরে আহত অবস্থায় খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল থেকে চট্টগ্রাম নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা খোদেজা বেগম গত ২৫ মার্চ খাগড়াছড়ি সদর থানায় খাগড়াছড়ি পৌরসভা মেয়র রফিকুল আলমসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *