সংবাদ প্রকাশের পরও থামছেনা কাঠ পাচার ও অবৈধ ইট পোড়ানো

নিজস্ব প্রতিবেদক:: থামছেনা কাঠ পাচার ও অবৈধ ইট পোড়ানো ভাটার কাজ। সংবাদ প্রকাশের পরও পাহাড়ি এলাকাতে প্রতিদিন হাজার হাজার মণ কাঠ পাচার হচ্ছে। জেলার গুইমারা, লক্ষিছড়ি, রামগড়, মানিকছড়ি, উপজেলায় বিকল্প রাস্তা দিয়ে রাতে ও দিনে প্রকাশ্য বন বিভাগের কর্মকতা, কর্মচারিদের যোগ সাজেসে, কোঁচিকাঁচা জ্বালানি কাঠ ট্রাক ও চাঁদের গাড়ি দিয়ে ফটিকছড়ির বিভিন্ন ইটের ভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। রামগড় উপজেলা প্রশাসনে ছত্রছায়ায় ও বনবিভাগের যোগসাজেসে ৬টি ইটের ভাটায় জালানী কাঠ পোড়ানো হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় হাফেজ আহ্ম্মদ ভূইয়া, মন্নান কোম্পানী, নূরুল ইসলাম চেয়ার‌ম্যান, শহিদ কোম্পানী, নাসির এবং নবী মেম্বারের ছয়টি ইটের ভাটা রয়েছে। তার মধ্যে শহিদ কোং’র ভাটা বন্ধ রয়েছে। তবে প্রশাসনিক কোন বৈধ অনুমতি বা ছাড় পত্র নেই এ সমস্থ ইট ভাটায়। এলাকাতে প্রভাব খাটিয়ে এ সমস্থ কর্তাব্যক্তিরা অবৈধ ভাবে ইট ভাটা পরিচালনা করে আসছে। তাছাড়া প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন স্থানের সংরক্ষিত ও সামাজিক বনায়নের কাঠ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করছে।
অন্যদিকে, জেলা পরিষদের সদস্য মংসাপ্রু চৌধুরী অপু রামগড় উপজেলার নাকাপা এলাকাতেও তিন চুঙা বিশিষ্ট একটি ইট ভাটা পরিচালনা করছেন। যার কোন ছাড়পত্র নেই। তিনি একজন সচেতন নাগরিক ও জেলা পরিষদ সদস্য। তারও ইটের ভাটায় কোন বৈধ কাগজ পত্র নেই।
রামগড় উপজেলা প্রশাসনে ছত্রছায়ায় ও বনবিভাগের যোগসাজেসে ৬টি ইটের ভাটায় জালানী কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। রামগড় উপজেলার সোনাইপুল বন বিভাগের রেঞ্চ ও পরিক্ষণ পারির কর্মকর্তাদের মোটা অংকের উৎকোজ নিয়ে এসব জ্বালানি কাঠ ও গোল রদ্দা কাঠের গাড়ি পাচারে সহযোগিতা করে।
ইট ভাটায় অবৈধ ভাবে কাঠ পোড়ানো ও অবৈধ ভাবে কাঠ পাচার সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে রামগড় উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক শাহআলম চেয়ারম্যান জানান, অবৈধ ভাবে কাঠ পাচার ও নির্দিষ্ট ছাড়পত্রের চেয়ে অতিরিক্ত কাঠ বোঝাই করে পাচারের বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তার হাত রয়েছে, এবিষয়ে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বন্ধহতে পারে।তিনি ইট ভাটার ব্যাপারে বলেন, ছাড় পত্র ছাড়া অবৈধ ভাবে ইট তৈরি করার বিষয়ে আমার দিমত রয়েছে।যেহেতু অন্যান্ন উপজেলায়ও অবৈধ ইট ভাটা রয়েছে রছেছে চলমান সেহেতু আমার এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে ৬টি ইট ভাটায় ইট পোড়ানোর ব্যপারে ছাড় দেওয়া যেতে পারে।
১০ ডিসেম্বর ২০১৮ সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করার সময় নুরুল আলম দিনকাল পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার খাগড়াছড়িকে এক প্রশ্নের জবাবে রামগড় ইউএনও উম্মে ইসরাত বলেন, বিভিন্ন ইট ভাটায় অবৈধ ইট পোড়ানো হচ্ছে, উপজেলা প্রশাসন এবিষয়ে অবগত হয়েছে। অবৈধ ইট ভাটায় জেলা প্রশাসকের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে। তবে নির্বাচন মূখী অবস্থায় এবং পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে এই মুহুর্তে কোন ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচন সমাপ্ত হওয়ার পরপরই মোবাইকোর্ডের মাধ্যমে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *