Home » পার্বত্য চট্টগ্রাম » ভুমিতে দুর্নীতির প্রতিরোধের ঘোসনা ভুমিমন্ত্রীর

ভুমিতে দুর্নীতির প্রতিরোধের ঘোসনা ভুমিমন্ত্রীর

ডেস্ক রির্পোট:: পার্বত্য অঞ্চলে জেলা গুলোতে ভুমি দুর্নীতি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা হাজার হাজার প্রকৃত ভুমির মালিক হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। আদালতে গিয়েও ভুমি প্রতারক জাল জালিয়াতি মাধ্যমে স্থানীয় ভুমি অফিসে কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগ সাজসে এই প্রতারণা মাধ্যমে অফিসগুলো ভুমি দুর্নীতির আক্রান্ত হয়ে সর্বাস্ব হাড়িয়ে আছে অসংখ্যা নিরপরাধ মানুষ।

এমন ঘটনা ঘটেছে খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে। খাগড়াছড়ি জেলার আদালত গুলোতে  প্রতিদিন শত শত মানুষ ভুমি মামলায় হাজিরা দিতে হচ্ছে।  প্রকৃত  ভুমির মালিকেরা তার নিজ মালিকানাধীন কাগজ পত্র নিয়ে আদালতে হাজির হচ্ছে। একটি মামলা শেষ হতে না হতে আরেকটি মামলা ভুমি দস্যুরা সৃষ্টি করে র্দীঘ সময় পার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ভুমি প্রতারক জাল জালীয়াতীকারীরা। এসব জাল জালীয়াতকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও ভুমি অফিসের দুর্নীতির বিষয় ঘুটিয়ে দেখার জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলে দুর্নীতির রহস্য বেরিয়ে আসবে বলে মনে করেন সচেতন মহল।

অপরদিকে, সম্প্রতি ভুমি মন্ত্রী ভুমি দুর্নীতির প্রতিরোধের ঘোষনায় ন্যায় বিচার পাওয়ার প্রত্যাশায় করছে পার্বত্য বাসীরা। ভুমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী  এম.পি. বলেছেন, ভুমি ব্যবস্থাপনায়  দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স  ঘোষনা করা হালো । তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী  জননেত্রী  শেখ হাসিনা নেতৃত্বে দক্ষ , স্বচ্ছ ও জনবান্ধব ডিজিটাল  ভুমি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। গত ৮ জানুয়ারী ভুমি  মন্ত্রণালয়ের  সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরে সাথে মতবিনিময়কালে  ভুমি মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন,  টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে মন্ত্রনালয়ের কাজে চমক সৃষ্টি করে  ভুমি মন্ত্রণালয়েকে  অন্যান্য  মন্ত্রণালয়ের কাজের মানের দিক থেকে টপ টেনে  পৌছাতে হবে। আগামী ২ বছরের পরিকল্পনায় আমারা নেবো। মাঠ পর্যায়ের  ভুমি অফিসগুলোকে অটোমেশনের আওতায় আনা এবং প্রত্যক অফিসে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে।  গুড গর্ভননেন্স, কর্পোরেট হতে হবে। সকল সঠিক ভাবে যার যার অর্পিত দায়িত্ব সম্পুন্ন করলে আর কোনো চ্যালেঞ্জের অবশিষ্ট থাকে  না।

তিনি বলেন, সাধারন মানুষের আস্থা রয়েছে এটিতে। জননেত্রী শেখ হাসিনা সে অবস্থা তৈরি করতে পেরেছেন। ভুমির মাঠ পর্যায়ে সর্বোচ্চ দক্ষতা, জবাবদিহিতা থাকতে হবে। সঠিক সময়ে কাজ সর্ম্পূন্ন করতে হবে। সবার  মধ্যে ইন্টারএকশন থাকা উচিত। যে কোনো কাজ যে কোনো সিদ্ধান্ত  আালোচলার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। সকল কাজ নিয়ম , নীতিমালা ও পদ্ধতি  অনুসরণ করে করতে হবে। এখনো মাঠ পর্যায়ে হয়রানি  হচ্ছে। তিনি বলেন,  যারা দুর্নীতি করছেন তারা সর্তক হয়ে যান। দুর্নীতি ছেড়ে দেশের উন্নয়নের ভালোভাবে কাজ করুন । ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে তিনি ভুমি মন্ত্রনালয় ত্যাগ না করার অঙ্কীকার করেন মন্ত্রী। মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের মানুষের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিতসহ টিমওয়ার্ক কাজ করার আহ্বান  জানান।

About admin

Leave a Reply