দীঘিনালায় আইসক্রীম বিক্রেতা খুনের নেপত্যে ১০ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক,দীঘিনালা:: খাগড়াছড়ি দীঘিনালা মেরুং ইউনিয়নের ছোবাহানপুর লেবু বাগান এলাকায় বাক প্রতিবন্ধী মো. হারুন অর রশিদর ছেলে মো. সৌরভ আহম্মেদ (১৬) নামে এক যুবকের লাশ উদ্বার করছে দীঘিনালা থানা পুলিশ।

জানযায়, বুধবার (২৪ এপ্রিল) বুধবার রাত সাড়ে ৮টায় বাড়ির পাশের হাফিজ উদ্দিনের চা দোকান থেকে বাবা-ছেলে চা খেয়ে বাড়িতে যায়। পরদিন সকালে (বৃহস্পতিবার) নুরুল ইসলামের বাড়ি পাশে করলা ক্ষেতে মো: রুবেল ও তার স্ত্রী করলা তুলতে যাওয়ার পথে রাস্তার পাশে মৃত ব্যাক্তির লাশ দেখে চিৎকার করে মানুষ জড়ো করে। পরে দীঘিনালা থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়।

সৌরভের চাচা মো: নুরুল আমিন বলেন, সে আইসক্রীম বিক্রি করতো,একটু জ্ঞান-বুদ্ধি কম ছিল। গত ১৫দিন আগে সে আমাকে তার কাছে থাকা ৫ হাজার টাকায় তাকে একটা গরু কিনে দিতে বলে। তবে বুধবার বাড়িতে চাচিদের সাথে বলাবলি করছে আমার ১০ হাজার টাকা আছে সে টাকায় চাচা বৃহস্পতিবার(২৫এপ্রিল) মেরুং হাট থেকে গরু কিনে দিবে।

টাকা পয়সা সব সময় তার কাছে থাকত, আমার জানামতে তার কোন শত্রু ছিলনা। টাকা গুলো নেয়া জন্য তাকে খুন করা হয়েছে। তার বাবা বাক প্রতিবন্ধী, সৌরভের মা ৫ বছর বয়সে পাগল হয়ে নিরুদ্দেশ হয়েছে আর ফিরেনী। তার এক বড় ভাই মো: সজিব আহম্মেদ পানছড়ি মানুষের বাড়িতে থেকে কাজ করে।

লাশ উদ্ধার করে নিয়ে এসে দীঘিনালা থানার এসআই মো. মোবারব হোসেন বলেন, সৌরভের মাথার বাম পাশে রড দিয়ে বড় ধরনে আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। আঘাতে কারনে নাক, মুখ, কান দিয়ে প্রচুর রক্ত ক্ষরন হয়ে মারা গেছে। এছাড়াও পিঠে, হাতে রড এর আঘাত এর চিহ্ন রয়েছে। ঘটনা স্থল থেকে একটি রড উদ্ধার করা হয়েছে।

দীঘিনালা থানা অফিসার ইনচার্জ উত্তম চন্দ্র দেব ঘটনা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সৌরভের মাথায় রড এর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, লাশ ময়না তদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে আসামী ধরা জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে। এখনো পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *