মৈত্রী সেতু দু’দেশের ভ্রাতৃত্ব ও বানিজ্যিক সম্পর্কের সেতুবন্ধন সৃষ্টি হবে

নুরুল আলম:: খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় ও ভারতের সাব্রুম এলাকায় ফেনী নদীতে নির্মানাধীন ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু ১ এর নির্মাণাধীন এলাকা, মহামুনি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস। রবিবার বেলা ১১টার সময় হাই কমিশনার তার সফর সঙ্গীদের নিয়ে রামগড় এসে পৌছলে তাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কংজরী চৌধুরী ও জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম। এসময় স্থানীয় খাগড়াছড়ির সাংসদের সহধর্মিনি কুজেন্দ্র মল্লিকা ত্রিপুরা, ৪৩ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্ণেল তারিকুল হাকিম,খাগড়াছড়ি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমএম সালাউদ্দিন, জেলা পরিষদ সদস্য মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু, জুয়েল চাকমা,খাগড়াছড়ি সওজ’র উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সবুজ চাকমা,রামগড় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বিশ্ব প্রদীপ কার্বারীসহ বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শন শেষে ভারতীয় কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেতু ও স্থলবন্দর কার্যক্রমের মধ্যেদিয়ে ভারত-বাংলাদেশ বানিজ্যিক সুবিধা পাবে তেমনি দুই দেশের মধ্যে একটি ভ্রাতৃত্বের সেতুবন্ধন তৈরী হবে। সে সাথে এ মৈত্রী সেতু ও স্থলবন্দর নির্মিত হলে আন্ত: যোগাযোগ বৃদ্ধি ছাড়াও ব্যবসা বানিজ্যের সুবিধা বাড়বে এবং যাতায়াত সহজ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এ সময় ভারতীয় হাই কমিশনারের সাথে ছিলেন, ডেপুটি কমিশনার (চট্টগ্রাম) অনিন্দ্র ব্যানার্জি, ভারতীয় ন্যাশনাল হাইওয়ের জিএম দিল ভাকসিং, ফাষ্ট সেক্রেটারী নবনিতা চক্রবর্তী প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, ২০১৫ সালের ৬ জুন উভয়দেশের প্রধানমন্ত্রী মৈত্রী সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেছিলেন। এরপর ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর সেতুর কাজ শুরু হয়। আগামী ২০২০ সালের ২৭ এপ্রিল সেতু নির্মান কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ৪১২ মিটার দৈর্ঘ এবং ১৪.৮০ মিটার প্রস্থের সেতু নির্মানে ভারত সরকার ৮২.৫৭ কোটি রুপি ব্যয় করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *