মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী কলেজের অধ্যক্ষকে হয়রানির অভিযোগ

নুরুল আলম”:: খাগড়াছড়ি মানিকছড়ি গিরিমৈত্রী সরকারী ডিগ্রী কলেজ এর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে হয়রানি এবং ৯জন শিক্ষকের বেতন ভাতা থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে।
সরকারী ডিগ্রী কলেজের এই ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকের জ্যেষ্ঠতা লঙ্গন ও নিয়ম বহির্ভূত ভাতা গ্রহন জি.ও.জারির পর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অমান্য করে কলেজ ফান্ড থেকে ভূয়া বিল ভাউচারে টাকা উত্তোলন এবং অবৈধভাবে শিক্ষক নিয়োগ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ গুলো তিনি অস্বীকার করেছে।
ডিগ্রি কলেজটির সাবেক অধ্যক্ষ মো: এনামুল হক অবসরে যাওয়ার পর ১৯জানুয়ারী ২০১৬ সালে কলেজের ৬জন সিনিয়র সহকারী অধ্যাপকের মধ্যে থেকে মংচাইঞো মারমাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নিয়োগ করেন তৎকালীন গভনির্ং কমিটি। ওই নিয়োগের পর হতে সরকারী (এম.পি.ও) বেতন ভাতার পাশাপাশি কলেজ ফান্ড থেকে প্রতি মাসে ২১ হাজার টাকা সম্মানি গ্রহন করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মংচাইঞো মার্মা। ২০১৮ সালের ৮আগস্ট কলেজটি সরকারীকরণের জি.ও. জারি হয়। ২৭ আগস্ট সরকারী প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমের পূর্বেও গভনির্ং কমিটি বাতিল ও সমস্ত আর্থিকসহ অন্যান্য কার্যাবলী সম্পাদনের উপজেলা পর্যায়ে ইউ.এনও.কে দায়িত্ব প্রদান করে চিঠি ইস্যূ করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
কলেজ ফান্ড থেকে অর্থ আতœসাতের বিষয়ে অধ্যক্ষ বলেন আমার চাকরীর বয়স ২৪ বছর। অধ্যক্ষের স্কেল ৫০ হাজার টাকা । কিন্তু বর্তমানে ৩০ হাজার টাকা কমিটির সিদ্ধান্তে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে পাচ্ছি। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দাবি করেন তার বিরুদ্ধে সহকর্মীরা ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং কলেজের ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১৬শত শিক্ষক স্বল্পতার কারনে খন্ডকালীন ৯জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। কমিটির চাইলে কলেজের আয় থেকে তাদের বেতন ভাতা দিতে পারে।
জাতিয় দৈনিক পত্রিকার প্রতিনিধিরা সংবাদ সংগ্রহের মানিকছড়ি গিড়ি মৈত্রিক কলেজে গেলে তখন সহকারী শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর আলম জানান-২০১৮ সালে খন্ডকালীন নিয়োগ দেওয়া হলেও অদ্যাবদি তারা কোন বেতন ভাতা পাচ্ছেনা তারা মানবেতর জীবন যাপন করেছে। যাহা কর্মস্থল আসতে যাতায়াতের ভাড়া ব্যয় সহ আনুসাঙ্গিক খরচ করতে হয় নিজের থেকে। তার পরেও কলেজে অধ্যয়ন করে যাচ্ছে। মানবিক দিক বিবেচনা করলে কলেজের আয় থেকে আমরাও অন্যান্য শিক্ষকদের মতো বেতন পেলে নিজের জীবন কে শাতছন্দে কাটাতে পারতাম। যারা আমাদের বিরুধীতা করছে তা পরিহার করে বেতন পাওয়ার বিষয়টি সু-বিবেচনা করা দরকার।
এদিকে কলেজের অধ্যক্ষ বলেন, ৯ জন শিক্ষক খন্ডকালীন অস্থায়ী হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ বিনা বেতনে চাকরি করছে। কিন্তু কলেজের কমিটির ঐক্যমতে পৌছলে তাদের বেতন-ভাতা দেয়ার বিষয়টি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *