জন্মসনদ জালিয়াতিকারী বহাল তবিয়তে পিতার ৬মাসের কারাদন্ড

নুরুল আলম:: খাগড়াছড়ি জেলা বিভিন্ন উপজেলায়  ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে বয়স বাড়ানো কমানো অন্যের নামের জন্ম নিবন্ধনের স্থানে অন্যেব্যক্তির নাম বসিয়ে জাল জালিয়াতি মাধ্যমে দেশদ্রোহীর কাজে লিপ্ত রয়েছে যা সর্ম্পুন বেআইনী ও দন্ডণীয় অপরাধ।
গত ২৩ আগস্ট শুক্রবার ঘটনা নুরুন নবী, বড়মেরুং এলাকার নিজ মেয়ের –বাল্য বিবাহের দায়ে ইউএনও ৬ মাসের জেল প্রদান করেন। কিন্তু যিনি বাল্য বিবাহে সম্পূর্ণ রুপে উৎসাহিত করে ১৬ বছরের কিশোরীকে ১৮ বছরের জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করে বে-আইনিভাবে সার্বিক সহায়তা করেন ১নং মেরুং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা মোঃ মিনহাজুল ইসলাম। তার কোন ব্যবস্থা এখনও পর্যন্ত গ্রহন করা হয়নি। মিটন চাকমা, পিতা সুশী রঞ্জন চাকমার জন্ম নিবন্ধনের তথ্য অনলাইন থেকে মুছে দিয়ে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে তাহার নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়। ইহা রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকান্ডের সামিল।
মেরুং ইউনিয়মের ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা পরিচালক মোঃ মিনহাজুল ইসলামকে অব্যাহতি প্রদান প্রসঙ্গে। উপযুক্ততা বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে মিনহাজুল ইসলাম, উদ্যোক্তা পরিচালক, মেরুং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার, দীঘিনালা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের অনলাইন জন্ম নিবন্ধন বহি নং ০৩ এর ১১৬ পৃষ্ঠার ১১৮৭২ নং জন্ম নিবন্ধন সনদের মিটন চাকমা, পিতা সুশী রঞ্জন চাকমা, মাতা সুজরিকা চাকমা গ্রাম: চামনী ছাড়া এর জন্ম নিবন্ধনে তথ্র বিকৃত করে সামসুন নাহার, পিতা- নূরুন নবী, মাতা: মোছাঃ নুর জাহান, সোবাহান পুর, ৪নং কলোনী এর তথ্য অন্তভুক্ত করেছেন যা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন বিবিধিমালা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *