আলোচিত বাংলাদেশ পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্রেকিং নিউজ

গুইমারায় মুক্তিযোদ্ধাকে মারধর ও হত্যার হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক:: খাগড়াছড়িতে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। তার বাড়ী জেলার গুইমারা উপজেলাধীন কালাপানি এলাকায়। এ সময় তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল মন্ডলকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে সোহাগ, তাজুল ইসলাম, শাহীনসহ কয়েকজন। এ বিষয়ে গুইমারা থানায় অভিযোগের একমাস অতিক্রম হওয়ার পর দু’পক্ষকে থানায় ডেকে দায়সাড়া বিচার করেন ও হামলাকারীদের থেকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করে দ্বায়িত্বরত তদন্তকারী অফিসার। জায়গা এ সংক্রান্ত বিষয়ে এক তরফা ও পক্ষপাতিত্ব বিচারের বিরুদ্ধে আদালতের স্মরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন।

গত ৪ মে’২০ সোমবার বিকাল ৫ ঘটিকার সময় জায়গার উত্তর পার্শ্বে অবৈধ ভাবে দখল করতে গেলে বাঁধা দেওয়ায় অভিযুক্তরা মুক্তিযোদ্ধার ছেলে সেলিমকে এলোপাতাড়ী মারধর শুরু করে। এক পর্যায়ে সেলিমের পিতা মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল মন্ডল বাঁধা দিলে অভিযুক্তরা মুক্তিযোদ্ধার মা’কে গালি দিয়ে তাকে রড দিয়ে মেরে রক্তাক্ত করে।

এক পর্যায়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান অভিযোগ কারী। ঘটনার পর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল মন্ডল মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেসে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন এই মুক্তিযোদ্ধা। ঘটনার পরদিন মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল মন্ডল গুইমারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ করা হলে দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অভিযোগ তোলেন তার ছেলে সেলিম।

বরং এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে একটি মহল উঠে পড়ে লেগেছে এবং অভিযোগকারীর সম্মতি ছাড়া ৩০ বছরের দখলীয় জায়গার বাগান-বাগিচা ও সৃজীত গাছ-গাছালীর লোভে মনগড়া মত ১০ ফুট সীমান অতিক্রম করে একতরফা ভাবে সীমানা প্রাচীর দিয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা। ঘটনার দিন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নুর মোহাম্মদ, মোঃ ছোবাহান মাঝি ও স্থানীয় বেলাল ও খোরশেদ। তারা সকলেই একই এলাকার বাসিন্দা।

অসহায় মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল মন্ডল এই প্রতিনিধিকে জানান, তাহার উপর হামলা ও মারধরের পর গুইমারা থানায় অভিযোগ করলে একমাস অতিক্রম হওয়ার পর গত ৪ জুন’২০ইং বিকাল ৪ ঘটিকায় দু’পক্ষকে থানায় ডেকে দায়সাড়া বিচার করে ও হামলাকারীদের থেকে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করেন দ্বায়িত্বরত তদন্তকারী অফিসার। জায়গা সংক্রান্ত এ বিষয় নিয়ে এক তরফা ও পক্ষপাতিত্ব বিচারের বিরুদ্ধে আদালতের স্মরনাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেন বলে জানান।

এদিকে-অভিযুক্ত মো: সোহাগ তার সাথে জায়গা বিরোধের বিষয়টি স্বীকার করে মুক্তিযোদ্ধাকে রাগের মাথায় মারধরের বিষয়টি স্বীকার করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *