ইউএনও ওয়াহিদা খানম’র ওপর হামলার প্রতিবাদে গুইমারায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, গুইমারা :: দিনাজপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনাকে নিন্দনীয় অপরাধ মন্তব্য করে এ সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করার আহবান জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত একজন মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনার ন্যায় বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। তারা বলেন, দিনাজপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম শুধু নয় সন্ত্রাসীরা তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওমর আলীর উপরও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর সন্তানের উপর হামলার ন্যায় বিচার এখন সময়ের দাবী।

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওমর আলীর ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। গুইমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

জড়িতদের শাস্তির দাবি মুক্তিযোদ্ধাদের

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত গুইমারা বাজার পুলিশ বক্স সংলগ্ন মহাসড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাবেক সভাপতি হারুন মিয়া। উক্ত মানববন্ধন ও সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গুইমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ম্রাসাথোয়াই মার্মা। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গুইমারা উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ শাহ আলম, গুইমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি রতন মোহরী ও গুইমারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহীনুর গাজী। উক্ত মানববন্ধন ও আলোচনা সভার সঞ্চালনা করেন মোঃ হাসানুল ইসলাম।

ঘন্টাব্যাপী মানবন্ধনে গুইমারার বিভিন্ন স্তরের মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাবেক সভাপতি হারুন মিয়া বলেন, কোন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান বা মুক্তিযোদ্ধার উপর কোনরকম হামলা ও নির্যাতনকে বরদাস্ত করা হবেনা। এসব সন্ত্রাসীদেরকে কঠোর হস্তে দমন করার দাবী জানান। ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সরকারি বাসভবনে সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তাঁর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ওমর আলী।

এছাড়াও কক্সবাজার টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যার ঘটনায় দোষী পুলিশ সদস্যদেরও বিচারের দাবী করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *