গুইমারায় কাঁঠালের বাজারে দালালদের দৌরত্ব

images3বিশেষ প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ির গুইমারা  কাঁঠালের বাজারে সিন্ডিকেট চক্রের দৌরাত্বে চাষীরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। খাগড়াছড়ি চট্টগ্রাম, ফেনী, ঢাকা সহ দূরপাল্লা যানবাহন চলাচলের একমাত্র যাতায়াতের কৃত মহাসড়কে বসে আম, কাঁঠাল, কলাসহ কাঁচামাল সড়কে উপর বসে বিক্রি করা ফলে সড়ক দূর্ঘটনা সহ প্রাণহানি ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সড়কে বসে কাঁচামাল বিক্রয় করার ফলে যাত্রীদের যাতায়াতে বিঘ্নিত হচ্ছে। অন্যদিকে, সমতল জেলার বেপারীরাও নানাভাবে তাদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছে।
মৌসুমী ফলের হাট বসার শুরুতে দালাল চক্রের দৌরাত্বে এবং চাঁদাবাজির কারণে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বেপারীরা এ বাজার থেকে বিমুখ হয়ে পড়ছেন।
৫-৬ সপ্তাহ থেকে কাঁঠালের হাট বসতে শুরু করেছে। শনিবার ও মঙ্গলবার সপ্তাহের বাজার হলেও শক্রুবার ও সোমবার বিকালের কাঁঠাল, আম, কলা, আনারস, লিচু সহ কাঁচামালের বাজার বসে এই সময় হাতে আসে গুইমারা বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা।  গুইমারা বাজারে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চাষীরা কাঁঠাল নিয়ে আসেন বিক্রি করতে। ক্রয়কৃত কাঠালগুলো চট্টগ্রাম, নোয়াখালি, ফেনী, কুমিলা, চাঁদপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বেপারীরা এ বাজারে এসে কাঁঠাল কিনে নিয়ে যান। জানা যায়, এবার কাঁঠালের হাট পুরোপুরি জমে উঠার আগেই শুরু হয়ে গেছে দালাল চক্রের দৌরাত্বে ও চাঁদাবাজি।
বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বেপারীরা দালালদের হাতে নাজেহাল, হয়রানি ও চাঁদাবাজির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। স্থানীয় দালাল সিন্ডিকেট করে পুরো কাঁঠালের হাট নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা সমতল জেলা থেকে আসা বেপারীদের হুমকি, ধমকি দিয়ে চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি কাঁঠাল কিনতে বাধা দেয়। পরে ওই দালালরা সল্প দামে চাষীদের কাছ থেকে কিনে নিয়ে কয়েকগুণ বেশি দরে বেপারীদের কাছে বিক্রি করে।

অন্যদিকে, কাঁঠালের হাট থেকে একটি মহলে নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। জানা যায়, বড় ট্রাক ও মিনি ট্রাক ভর্তি কাঁঠালের জন্য গুইমারা ও দালাল চক্রের একটি সিন্ডিকেট চাঁদা আদায় করা হয়। ওই বেপারী আরও জানান, চাঁদা দিতে গরিমসি করায় কয়েকজনকে নাজেহালও করা হয়েছে।
এই দিকে স্থানীয় কাঁঠাল বিক্রেতারা রোদের দুই পাশে কাঁঠাল রাখার ফলে যানবাহন চলাচলের বিঘ্নিত হচ্ছে। গুইমারা কাঁঠাল ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পাশে কাঁঠাল রাখার দায়ের সু-নির্দিষ্ঠ হারে ও স্থানীয় সিন্ডিকেট চক্র টাকা নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এই বিষয়ে গুইমারা অফিসার ইনর্চাজ মো: জুবায়েরুল হক জানা তবে রোদের দুই পাশে কাঁঠাল রাখার ফলে চাঁদাবাজি বিষয়টি আমার জানানি, প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নিব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *