বাবার মৃত্যুর পর ভাতা উত্তোলন করছে মৃত মা

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের নাম ভাঙ্গিয়ে দখল,নৈরাজ্য রাম রাজত্ব কায়েম

বিশেষ প্রতিবেদক:: ১৮-২০ বছরের উগ্র মেজাজী এক যুবকের নাম আবুল হেসেন প্রকাশ আবুল্লা। সে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানার চিকনছড়া বড়বিল এলাকার বাসিন্দা মৃত রুহুল আমিনের ৭ ছেলে-মেয়ের একজন। বাবা ফটিকছড়ির ১নং বাগান বাজার ইউনিয়নের একজন মুক্তিযোদ্ধা দাবী তার। তার মা জমিলা খাতুন ও রুহুল আমিনের মৃত্যু হয় মৃত্যু হয় ২০০৬-২০০৭ সালে।

বাবা মুক্তিযোদ্ধার দোহায় দিয়ে এ আবুল্লা ফটিকছড়ির সিমানা পেরিয়ে এবার সাধারণ মানুষের জায়গা দখল, নৈরাজ্য হামলাসহ সাধারণ মানুষকে হত্যার হুমকিসহ চাঁদাবাজীর মাধ্যমে রাম রাজত্ব কয়েমে মেতে উঠেছে খাগড়াছড়ি জেলার মনিকছড়ি উপজেলায়। এতেই শেষ নয় মৃত্য মাকে জীবিত দেখিয়ে মানিকছড়ি উপজেলার গচ্ছাবিলের ফজলুল হকের স্ত্রী ছিদ্দিকুর নেছাকে তার মা সাজিয়ে ফটিকছড়ি সোনালী ব্যাংক থেকে ভাতা উত্তোলন করছে সে। অপকর্মের কোন ধরনের বিচার না থাকায় সে বর্তমানে দাফিয়ে বেড়াচ্ছে পার্বত্য খাগড়াছড়ি জেলায়। তবে তার পিতা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা তাও তা জানেন না অন্য সন্তানরা।

তার বোনদের দাবী ফটিকছড়ির আরেক দখলবাজ ও অপকর্মের হোতা আমির হোসেন ও মাটিরাঙ্গার হারুন নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য জাল কাগজপত্র বানিয়ে তার ভাই আবুলকে ব্যবহার করছে। এ আবুল বিভিন্ন স্থানে তার ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। তার বড় বোন হাসিনার দাবী ভুয়া জাল কাগজপত্র করে আবুল এ অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।

আর তার পিতা যদি সত্যিকারের মুক্তিযোদ্ধা হয় তবে নিয়ম অনুসারে বড় মেয়ে হিসেবে সে জানতো এবং মুক্তিযোদ্ধার সকল ভাড়া সে সহ অন্যান সকল ওয়ারিশরা পেত। তার প্রশ্ন পিতা সঠিক ভাবে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা প্রণয়ন হলে তার পিতা মৃত্যুর পর সকল ওয়ারিশ সমহারে ভাতার অংশ পেত বলে তিনি জানান।

এছাড়াও আবুল প্রতারণা করে ভুয়া কাগজপত্র করে তার মায়ের বাবা-মায়ের মৃত্যুর পরও আরেক মহিলাকে মা সাজিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ভাড়া উত্তোলনের বিষয়টি তার পরিবার, দেশ ও জাতী সাথে প্রতারণার সামিল উল্লেখ করে এ অবৈধ ভাতা উত্তেলন বন্ধ করে দেওয়ার দাবী জানান। সঠিক ভাবে তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে অপকর্মের আসল রহস্য।

খাগড়াছড়িতে জেলার মানিকছড়িতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের নাম ভাাঙ্গয়ে অপব্যবহার করে সাধারণ মানুষের জায়গা দখল,নৈরাজ্য ও মাদকের রমরমা ব্যবসায় মেতে উঠেছে একটি চক্র। এ ঘটনার পরও চক্রটির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার ফলে খাগড়াছড়ি জেলায় বেড়েছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তান নামধারীদের দৌরত্ম। সাধারণ মানুষ এ ধরনের প্রতারকদের চিহিৃত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না গেলে পাহাড়ে অপ্রীতিকর ঘটনাসহ ভুমি বিরোধ,দখল,রাম রাজত্ব কায়েমসহ নানা ধরনের জটিলতা বৃদ্ধির আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *