আন্তর্জাতিক চট্টগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্রেকিং নিউজ

রামগড়ে ইট ভাটায় আইন লঙ্ঘনের হিড়িক:পুড়ছে কোটি টাকার কাঠ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রামগড়ে অবৈধ ভাবে চলছে ইটভাটা, হুমকীতে পরিবেশ। লাইসেন্স বিহীন   ৪টি ইটভাটায় নির্বিচারে পোড়ানো  হচ্ছে বনাঞ্চলের কচিকাচা গাছ। ইট তৈরীতে কয়লার স্থলে জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে কাঠ,  অনুমতি বিহীন এসব ইটভাটা বন ও পরিবেশ আইনকে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ  করে অবৈধ ভাবে ইটভাটার ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে,

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝূঁকি থাকা সত্ত্বেও এসব ইটভাটার মালিকরা প্রভাব খাটিয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই বিশেষ মহলকে ‘ম্যানেজ’ করে ফসলি জমি, জনবসতিপূর্ণ এলাকা এবং খাল-বিল, নদীর পাশে গড়ে তুলেছে এসব ইটভাটা। রামগড় উপজেলায় জ্বালানীকাঠ নির্ভর ৪টি অনুমোদন বিহীন ইটভাটার জ্বালানীর যোগান দিতে উজাড় করা হচ্ছে পাহাড়ের সবুজ বেষ্টনী ও পাহাড়ী বনাঞ্চল। প্রত্যেক শীতকালীন মৌসুমের এই ধরনের  ইটভাটাগুলোর কার্যক্রম চললেও  বন্ধ করতে পারেনি ইট পোড়ানোর কার্য্যক্রম।

রামগড়ের হাজেরা ব্রিক ইটভাটার মালিকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, রামগড় ইটভাটার পরিবেশ অধিদপ্তর  কোন ছাড়পত্র নেই। রামগড়ে ৪টি ইটভাটা, জনবসতিপূর্ণ কৃষি জমি নিকটবর্তী স্থানে অবস্থান এবং ব্যবহার হচ্ছে জ্বালানি কাঠ, উপজেলা বেশকয়েকটি ইটভাটা ঘুরে দেখা যায়, কয়লা ব্যবহারের স্থলে পাহাড়ে কচি কাচা গাছ আর ১২০ ফুট উচ্চতার স্থায়ী চিমনির স্থলে ২৫/৩০ ফুট উচ্চতার ড্রাম চিমনী ব্যবহার করা হচ্ছে।

তাবে রহস্যজনক কারণে বন বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসন নীরবতা পালনের অভিযোগ থাকলেও এ বিষয়ে খাগড়াছড়ি বিভাগীয় বন কর্মকর্তা  বলেন, জ্বালানী হিসেবে পাহাড়ি গাছ পোড়ানো বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালিত করছি। আইন ২০১৩ অনুযায়ী  বাগানের ও ঘনবসতি এলাকার দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোন ইটভাটা নির্মাণ করা যাবেনা। অবৈধ ইট ভাটার বিষয়ে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক বলেন, নির্ধারিত বিধি অমান্য করে কোন ইট ভাটার মালিক ভাটা চালালে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা  নেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রসাশক ইটভাটায় কাঠ পোড়ানো ও ইট তৈরির বিষয়ে কোনো অভিযান চালানো হয়নি। 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *